শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

দুর্নীতির অভিযোগে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ওএসডি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬.০৩ পিএম
ডা. মো. আনোয়ার হোসেন

যমুনার কথা প্রতিবেদক:

দুর্নীতি ও অভিযোগ উঠায় সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (এডি) ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর তাকে ওএসডি করা হলেও বিষয়টি এ কয়েকদিন গোপন ছিল। মঙ্গলবার বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডা. আনোয়ার হোসেনকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে যোগ না দিলে ৫ অক্টোবর থেকে তাঁকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার কথাও ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদিরকে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার বিকেলে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ডা. এ টি এম নুরুজ্জামান সহকারী পরিচালক (এডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের ওএসডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে জানতে ডা. আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

ওএসডি হওয়া ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যা অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। এরমধ্যে রোগীদের খাবার ও পথ্য সরবরাহ, মেডিকেল সার্জিক্যাল রিকুইজিশন (এমএসআর) কেনাকাটা থেকে শুরু করে আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের বিষষগুলো রয়েছে। এছাড়াও  ডা. আনোয়ার দায়িত্বে থাকাকালে হাসপাতালের এমএসআর কেনাকায় পছন্দের ঠিকাদারদের নিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। এসব কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, হাসপাতালের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. কৃষ্ণকুমার পালের সঙ্গে ডা. আনোয়ার হোসেনের ঘনিষ্ঠতা চিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, হাসপাতালের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম এবং এমআরআই মেশিন কেনার ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগাম ১৬ কোটি টাকা পরিশোধের অভিযোগে কৃষ্ণকুমারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এসব অভিযোগের সঙ্গে ডা. আনোয়ারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাসপাতালের ক্রয়সংক্রান্ত নথি, সরবরাহ বিল, এমএসআর কেনাকাটা ও আউটসোর্সিং নিয়োগের তথ্য যাচাই করলেই প্রকৃত তথ্য বেড়িয়ে আসবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা