উজ্জল, টাঙ্গাইল
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দমবিকেলে খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে সব খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাদের কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ে আরও উন্নত করা যায় এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, সে লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কার্যক্রম চলছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই হ্যাচিং ডিম নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করেছি। আমরা এর উৎপাদন বাড়াতে চাই। এই খাতটিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি করছেন। ইনশাআল্লাহ প্রান্তিক পর্যায়ে খামারির সংখ্যা বাড়বে। কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, তরুণরা যাতে এই খাতে এগিয়ে আসে, সে জন্য তাদের অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ খামার করে সফলতা পেয়েছেন। আমরা তাদের ঋণ সুবিধাসহ সার্বিক সুবিধা দিচ্ছি। এই সেক্টরে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
খুলনা দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই খামারের উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। আমি আজ পরিদর্শন করলাম। ইনশাআল্লাহ খুলনার মানুষ যথাযথ সেবা পাবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হুরে জান্নাত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।