শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

ভদ্রঘাটে জমির পরিমাণের চেয়ে বেশি খারিজ, তদন্ত চান মালিক

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫.৫৮ পিএম

যমুনার কথা প্রতিবেদক  

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকায় একই দাগে ৬৬ ডিসিমাল জমির বিপরীতে ৭৬.৭৪ ডিসিমাল জমি খারিজ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে অতিরিক্ত ১০.৭৪ ডিসিমাল জমি খারিজ হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। নিজের জমির বিষয়ে সমাধান পেতে দিনের পর দিন ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুরছেন জমির মালিক শ্রী গোপাল চন্দ্র পাল।

জানা গেছে, ভদ্রঘাট মৌজার ২১৯৩ দাগের ১৭৪৫ খতিয়ানে মোট জমির পরিমাণ ৬৬ ডিসিমাল। তবে বিভিন্ন নামে খারিজ হয়েছে ৭৬.৭৪ ডিসিমাল জমি। ফলে ওই দাগে ১০.৭৪ ডিসিমাল জমি অতিরিক্ত খারিজ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে ওই দাগের জমির মালিকদের মধ্যে রয়েছেন পালপাড়া এলাকার শ্রী গোপাল চন্দ্র পাল, শ্রী অমল চন্দ্র পাল ও সুদেক কুমার পাল। তারা ওই দাগের ২৫.৭৫ ডিসিমাল জমি কিনেছেন। তবে একই দাগে জমির পরিমাণের চেয়ে বেশি জমি খারিজ হওয়ায় নিজেদের জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় চলতি বছরের ৮ জুলাই কামারখন্দের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন বরাবর একটি মিসকেস মামলা করা হয়। জমির মূল মালিক ছিলেন মহাদেব পাল। পরে তিনি মৃত আব্দুল বাতেনের কাছে ১২ ডিসিমাল জমি বিক্রি করেন। এরপর চলতি বছরের ১৮ আগস্ট মহাদেব পালের স্ত্রী শ্রীমতি বাসনা রানী পালের নামে ১০ ডিসিমাল জমি খারিজ করে দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন।

নিজের জমির কাগজপত্র নিয়ে দিনের পর দিন কখনো ইউনিয়ন ভূমি অফিস, আবার কখনো উপজেলা ভূমি অফিসে ছুটছেন শ্রী গোপাল চন্দ্র পাল। জমির মালিকানা নিয়ে অনিশ্চয়তায় তার দিন কাটছে বলে জানান তিনি।

শ্রী গোপাল চন্দ্র পাল বলেন, একটি দাগে টোটাল ৬৬ ডেসিমাল সম্পত্তি৷ সেই সম্পত্তি বিভিন্নভাবে ৭৬.৭৪ ডেসিমাল খারিজ হয়ে গেছে। খুব হতাশায় কাটছে দিন। আমি প্রতিদিন কাগজপত্র নিয়ে ইউনিয়ন আর উপজেলা ভূমি অফিসে দৌড়াচ্ছি। কর্তৃপক্ষ যদি সবকিছু যাচায় করে আমার জমি টুকু ফিরিয়ে দেন, তবে স্বস্তি পেতাম।

একই দাগে অতিরিক্ত জমি খারিজ হওয়ার বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, বর্তমানে সবকিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে হচ্ছে, তাই এখন এমন ভুল হয়না৷ তবে আগে ডিজিটাল পদ্ধতি ছিলনা৷ তাই বিভিন্নভাবে অতিরিক্ত খারিজ হয়ে যেতে পারে। আগে ম্যানুয়ালি হতো, হয়ত নায়েব চেক করেননি বা ক্রসচেক করেননি৷ সেই ক্ষেত্রে কোন কোন নামজারি অনুযায়ী এসব হয়েছে, এসব বের করতে হবে। তারপর যেসব সঠিক নয়, সেগুলো বাতিল করার জন্য মিসকেস মামলা করতে হবে৷

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা