শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

রায়গঞ্জে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক পুনর্বাসনকাজের উদ্বোধন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১.৩৯ পিএম

মো. পারভেজ সরকার, রায়গঞ্জ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সড়কের পুনর্বাসনকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঘুড়কা বাসস্ট্যান্ড থেকে হঠাৎপাড়া পর্যন্ত সড়কটির উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রায়গঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ের বাস্তবায়নে বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লি সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের (ক্যাফড্রিপ) আওতায় কাজটি করা হচ্ছে। সড়কটির দৈর্ঘ্য ১ কিলোমিটার ৬২০ মিটার। উদ্বোধনী ফলকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ২২ হাজার ১৯৬ টাকা।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন খান, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার, রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল কুদ্দুস মন্ডল, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুল হক, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি নাজমুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সড়কটির পুনর্বাসনকাজ শেষ হলে ঘুড়কা বাসস্ট্যান্ড থেকে হঠাৎপাড়া পর্যন্ত এলাকার মানুষের চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন যাতায়াতে সুবিধা বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি ব্যবহার করতে গিয়ে যে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়, তা-ও কমবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সড়কটির উন্নয়ন এলাকার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।#

 

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা