আবু জুবায়ের উজ্জল, টাঙ্গাইল
একসময় বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাস COVID-19 সংক্রমণের ভয়াল গ্রাসে আক্রান্ত। সেই সময়ে হতদরিদ্র দিনমজুর, কৃষক, শ্রমিক, বিধবা নারী, সহ নিম্ন আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন সাবেক কমিশনার হাজী আব্দুল সাত্তার।
আর সেই সময় থেমে না থেকে দিনরাত নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন সেবামূলক ও উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসায় প্রসংশিত হয়েছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, উচিত যিনি দিন-রাত সব সময় মানব সেবামূলক কাজ করবেন। নিজেকে সাধারণ মানুষের সেবায় বিলিয়ে দিবেন । এমনই একজন ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি হওয়া উচিত।
এতে করে তারা মনে করেন সিরাজগঞ্জ পৌরসভার জনপ্রতিনিধি হিসেবে হাজী আব্দুস সাত্তার উপযুক্ত।
সিরাজগঞ্জের এমন একজন ব্যাক্তি যিনি সকল বাধা প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ।
সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট কয়েকজন রাজনীতিবিদ মনে করেন, সিরাজগঞ্জ শহরের ধানবান্ধি মহল্লার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর হিসেবে তার বেশ সুনাম রয়েছে। এছাড়াও
তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একজন নির্বাচিত পরিচালক এবং সামাজিক সংগঠন ‘আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাই তিনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার জন্য উপযুক্ত একজন মেয়র প্রার্থী হিসাবে উপযুক্ত।
এবিষয় সিরাজগঞ্জ পৌরসভার পিনু পিনজু জানান, যে ব্যক্তি সব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল।
তারা মনে করেন অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল সাবেক কমিশনার ছিলেন। এই সময়ে পৌরসভার মেয়র হিসাবে তাকে পৌরবাসীর জন্য প্রয়োজন।
এ বিষয়ে হাজি আব্দুস সাত্তার মনে করেন,স্থানীয় নেতৃত্ব ও সমাজসেবায় যোগ্যতার একটি বড় স্বীকৃতি। স্থানীয় সরকারের যেকোনো পর্যায়ে কাজ করার জন্য জনগণের বিশ্বাস এবং জনপ্রতিনিধিদের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি আরো মনে করেন, নিয়মিত সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হযে কাজ করার চেষ্টা করেছি । সেই সঙ্গে ওয়ার্ড ভিত্তিক উঠান বৈঠক বা উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকদের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছি।