শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান কাটার উৎসব, ফলনে স্বস্তিতে কৃষক

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২.০০ পিএম

যমুনার কৃষি কথা 

মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ। হেমন্তের বাতাসে দুলছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা ও মাড়াই। অনুকূল আবহাওয়া এবং বাম্পার ফলন হওয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় ১ লাখ ৪১ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সময়মতো বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নির্ধারিত সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

​মাঠপর্যায়ের কৃষকরা জানান, সার, ডিজেল ও কীটনাশকের দাম বাড়তি থাকায় এবার আবাদের শুরুতেই উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। ফসল তোলার এই মুহূর্তে তীব্র শ্রমিক সংকট নতুন করে দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল তাদের। তবে সেই সংকট ও বাড়তি খরচের ধাক্কা অনেকটাই লাঘব করেছে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি।

​সনাতন পদ্ধতিতে এক বিঘা জমির ধান কাটা ও মাড়াই করতে যেখানে শ্রমিক বাবদ ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা ব্যয় হতো, সেখানে আধুনিক ‘কম্বাইন্ড হারভেস্টার’ মেশিনের ব্যবহারে বিঘাপ্রতি খরচ নেমে এসেছে মাত্র ২ হাজার ২০০ টাকায়। ফলে একদিকে যেমন কৃষকের সময় বাঁচছে, অন্যদিকে সাশ্রয় হচ্ছে বড় অঙ্কের অর্থ।

​তবে ফলন আশাতীত হলেও ধানের ন্যায্য বাজারদর পাওয়া নিয়ে এখনো কিছুটা শঙ্কা রয়ে গেছে চাষিদের মনে। সরকার নির্ধারিত যৌক্তিক মূল্যে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের দাবি জানিয়েছেন তারা।

​কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, সরকারি প্রণোদনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও তদারকি অব্যাহত ছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হবে। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকরা লাভবান হয়েই ঘরে ফসল তুলতে পারবেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা