শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

পাবনা মানসিক হাসপাতালকে বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫.০৫ পিএম

যমুনার কথা ডেস্ক

পাবনা মানসিক হাসপাতালকে বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসা, পরিচর্যা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হাসপাতালের পরিবেশকে চিকিৎসাসেবার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা মানসিক হাসপাতাল প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটিকে আর বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানসিক রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের পুনর্বাসনের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশে মানসিক রোগের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গবেষণা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।

চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫০০ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। তাঁদের প্রশিক্ষণের জন্য চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি দেশে উন্নত রোবোটিক সার্জারির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় গবেষণাকে ব্যয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ খাতে জাতীয় পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা হাসপাতালগুলোতে নিরাপদ কাউন্সেলিং সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারেন।

এ ছাড়া চিকিৎসকদের পাশাপাশি অন্যান্য পেশাজীবীর দক্ষতা বাড়াতে স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. একেএম আজিজুল হক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের হেলথ ইমারজেন্সি বিভাগের প্রধান অ্যান্টনি এশফেনি।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা