শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সিরাজগঞ্জে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে গতি কম, সরকারী অনুদানে বৈষম্য শাহজাদপুরে যানজট নিরসনে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান চলনবিলে মাছের সংকটে শুটকি উৎপাদনে ধ্বস অভাবকে জয় করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেল রায়গঞ্জের মুন্না করতোয়া নদীতীরে বেদে বহর, জীবিকার তাগিদে যাযাবর জীবন আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথে ৭০ চরমপন্থি বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসালে ‘গ্রিন হাউস’ স্বীকৃতি ও করছাড়: বিদ্যুৎমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিকটকে কমেন্ট করা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ ‘পলায়নের’ অভিযোগে চাকরি গেল হারুন অর রশীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

‘পলায়নের’ অভিযোগে চাকরি গেল হারুন অর রশীদের

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫.১৭ পিএম

যমুনার কথা ডেস্ক

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আলোচিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর ধরে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (বিপি-৭৪০১১১৯৭৫৩) ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। পরে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। এমনকি সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ২২ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।

এরপর ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড আরোপের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হয়। কমিশন গত ১ অক্টোবর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা