শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

উল্লাপাড়ায় খিরা চাষে ২০ হাজারে ২ লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন কৃষক নেকবারের

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১.২৭ এএম

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের কৃষক নেকবার সর্দার। কৃষিকাজই তাঁর জীবিকার প্রধান অবলম্বন। স্বল্প পুঁজি নিয়ে নিজের জমিতে দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন তিনি। ৪৭ শতাংশ জমিতে খিরার আবাদ করে এখন ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় দিন গুনছেন এই কৃষক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারে দাম ভালো পেলে এ খিরা বিক্রি করবে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

কৃষক নেকবার সর্দার জানান, খিরা চাষ করতে জমি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে সার, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণে এ পর্যন্ত তাঁর প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সীমিত বিনিয়োগে ভালো মুনাফার আশায় তিনি দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন। এখন তাঁর প্রত্যাশা, গাছে ভালো ফলন আসবে এবং বাজারে খিরার চাহিদা ও দাম অনুকূলে থাকবে।

কৃষকের ভাষ্য অনুযায়ী, কৃষিকাজে লাভের পাশাপাশি ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষ করে আবহাওয়ার তারতম্য, রোগবালাই ও বাজারদরের ওঠানামা কৃষকের লাভ-লোকসানে বড় প্রভাব ফেলে। খিরার মতো সবজির ক্ষেত্রে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পেলে প্রত্যাশিত লাভ ঘরে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। আবার অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর পাওয়া গেলে অল্প জমিতেও ভালো আয় করা সম্ভব।

নেকবার সর্দারের আশা, তাঁর ৪৭ শতাংশ জমির খিরা ভালোভাবে উৎপাদিত হলে এবং বিক্রির সময় বাজারদর অনুকূলে থাকলে সব খরচ বাদ দিয়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা লাভ হতে পারে। তবে এ লাভের হিসাব পুরোপুরি নির্ভর করছে ফলন, উৎপাদন খরচ এবং বিক্রির সময়কার বাজারদরের ওপর।

গ্রামবাংলার কৃষিতে সবজি চাষ অনেক কৃষকের জন্য বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করছে। স্বল্প জমিতে তুলনামূলক কম পুঁজি বিনিয়োগ করে বেশি লাভের আশায় অনেক কৃষক বিভিন্ন মৌসুমি সবজি আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারজাতকরণ, পরিবহন ব্যয় এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
চাকসা গ্রামের কৃষক নেকবার সর্দারের ৪৭ শতাংশ জমির খিরা আবাদও তেমনই একটি সম্ভাবনার গল্প। মাত্র ২০ হাজার টাকার মতো প্রাথমিক খরচে তিনি বড় অঙ্কের মুনাফার প্রত্যাশা করছেন। এখন প্রকৃতি ও বাজার—দুইয়ের অনুকূলতার ওপর নির্ভর করছে তাঁর সেই স্বপ্ন কতটা বাস্তবে রূপ নেয়।

কৃষক নেকবার সর্দারের প্রত্যাশা, পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য পাবেন তিনি। ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে খিরা বিক্রির আয় তাঁর সংসারে স্বস্তি এনে দেবে এবং আগামী মৌসুমে কৃষিকাজে আরও উৎসাহ জোগাবে।

এবার উল্লাপাড়া উপজেলায় শর্শা ও খিরার চাষের মধ্যে রয়েছে। গ্রীন বয়, সরিষা গোল্ড, আইস গ্রীন, ময়না মতি, সুফলা-১, আরিশা গ্রীন কিং এবং স্থানীয় দেশী উন্নত জাত ও রয়েছে।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমি দৈনিক যমুনার কথাকে জানান, উল্লাপাড়া উপজেলাতে গত বছর শর্শা ও খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ হেক্টর। কিন্তু এবার আমরা অর্জন করতে পেরেছি ১২৫ হেক্টর।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা