শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

পরিকল্পিত উন্নয়নে বদলে যাবে উত্তরাঞ্চল

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১.৪৯ পিএম

যমুনার কথা ডেস্ক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়  প্রতিমন্ত্রী  মীর শাহে আলম বলেছেন, বগুড়াকে দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়েজিত বগুড়ায় ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনেরা। সভায় বগুড়াকে আধুনিক বাসযোগ্য ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়  প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বগুড়া উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র। আড়াই হাজার বছরের সভ্যতার স্মারক পুণ্ড্রনগরী বগুড়াকে দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। গত ২০ বছর বগুড়ার মানুষ উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। উন্নয়ন দৃশ্যমান হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে বগুড়ার উন্নয়নে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। বগুড়া কৃষিতে উদ্বৃত্ত একটি জেলা। এখানে বছরে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকে। অথচ সম্ভাবনাময় এই জেলাকে দীর্ঘদিন কাক্সিক্ষত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। বগুড়াকে শিল্প, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নগরায়ণের ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করছেন। আওয়ামী লীগ উত্তরাঞ্চলের মানুষকে উন্নয়নের নামে ধোঁকা দিয়েছে। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের সময়ও মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। অতীতের এসব অভিজ্ঞতা ভুলে গেলে চলবে না। বিএনপি নেতা-কর্মীদের শুধু গত ১৭ বছরের নির্যাতনের কথা না বলে ২০ বছরের নির্যাতন ও বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। দলের ভিতরেও অপপ্রচার ও হিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সুপ্ত-গুপ্ত শুধু আওয়ামী লীগ বা জামায়াতে নেই, নিজেদের দলেও আছে।  হিংসা থেকে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। বগুড়ার স্বার্থে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক হয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো দেশকে সমান চোখে দেখেন। রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়নে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জন্য নয়; দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম বলেছেন  ১৭ বছর সাংবাদিকতা করার মতো পরিবেশ ছিল না। তিনি বলেন, দেশে গত ১৭ বছর সাংবাদিকতা করার মতো পরিবেশ ছিল না। সাংবাদিকদের হাত বাঁধা ছিল। তখন শুধু ডিক্লেয়ারেশন টিকিয়ে রাখার জন্য যেভাবে বলা হতো সেভাবেই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। গণমাধ্যম মালিকরা চাপে ছিলেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদকদের মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আপনার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা বেগম খালেদা জিয়া মিডিয়াবান্ধব ছিলেন। আশা করি সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আপনিও মিডিয়াকে সহযোগিতা করবেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কিন্তু আমার মা-বাবার প্রতি মিডিয়া তো ভালো আচরণ করেনি। বলেছি, আমাদের পূর্বসূরিরা হয়তো পরিবেশ না থাকায় পারেননি। কিন্তু আমরা যাঁরা এখন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি, তাঁরা ভালো আচরণ করব। সরকারের ইতিবাচক কাজগুলোর প্রশংসা করব। আর সরকার কোনো ভুল করলে আমরা গঠনমূলক সমালোচনা করব। এতে ওই গণমাধ্যম ও সাংবাদিকের প্রতি রুষ্ট না হয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলে সরকার, দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে। এই বগুড়ার একই পরিবারের তিনজন ব্যক্তি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, পরে তাঁর সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই এলাকার তিনজন ব্যক্তি সরকারপ্রধানের দায়িত্বে থাকলে সে এলাকায় আর কোনো উন্নয়ন কাজের বাকি থাকার কথা নয়। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া যে উন্নয়নের উদ্যোগগুলো নিয়েছিলেন পরবর্তী সরকার সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করেনি। এ অঞ্চলের উন্নয়ন মানে শুধু বগুড়ার উন্নয়ন নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন। বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপন ঘোষণার দ্রুত বাস্তবায়ন, পূর্ণাঙ্গ বেতার কেন্দ্র, বিভাগ ঘোষণা, সড়ক উন্নয়ন, যানজট নিরসন, রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস, কর্মসংস্থান এবং কৃষিপণ্য রপ্তানির মতো দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা সফল করার জন্য উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বগুড়ার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়া দীর্ঘদিন বঞ্চিত। এ বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বগুড়ার উন্নয়ন করতে হবে। আমরা তা করব, ইনশা আল্লাহ। বিগত ২০ বছরে বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে ভণ্ডামি হয়েছে। বগুড়ার প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে বগুড়ার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে হবে। আরাফাত রহমান কোকোর নামে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলেও সেটি অবহেলা ও অযত্নে পড়ে ছিল। বগুড়ার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের উদ্দেশে বলব, সত্যকে সত্য হিসেবে তুলে ধরুন। আপনাদের অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে তা কারও বিরুদ্ধে গেলেও আমরা স্বাগত জানাব। শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করছি। দেশের কোথাও ন্যূনতম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সম্পত্তির অধিকার ও জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। ভবিষ্যতের উন্নয়ন প্রকল্পে জনমত গ্রহণ, স্বচ্ছ ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। গত ১৭ বছরে বগুড়ায় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি।

এ সময় বিএনপির মিডিয়া সেল প্রধান অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বঅধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেছেন, ১৬ জেলা উন্নয়নে সুবিধা পাবে। উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বগুড়াকে কেন্দ্র করে সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ব্রিটিশ আমলকে উন্নয়ন ও সভ্যতার একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা যৌক্তিক নয়। আড়াই হাজার বছর আগে প্রাচীন পুণ্ড্রনগরীর রাজধানী ছিল বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায়। সেই ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনাকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। রাজশাহী বিভাগীয় সদর দপ্তর, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও বগুড়ার ভৌগোলিক অবস্থান উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। বগুড়ার উন্নয়ন মানে শুধু বগুড়া জেলার উন্নয়ন নয়; এর সুফল ভোগ করবে উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জেলার মানুষও। সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন কিংবা করতোয়া নদীর পুনঃখনন-সব ক্ষেত্রেই বৃহত্তর অঞ্চলের অর্থনীতি ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বগুড়ার উন্নয়ন হলে ১৬ জেলা এর সুবিধা পাবে। এখানে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান।  রাস্তাঘাট শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জায়গা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। এখানকার শিল্প-সংস্কৃতি উন্নয়ন করতে হবে। বগুড়ার উন্নয়ন দেশের উন্নয়ন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য  রেজাউল করিম বাদশা বলেন, শহরে অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট।  তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি ও বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হওয়ায় বগুড়া দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। বগুড়ার মানুষের প্রত্যাশা অনেক। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। বগুড়া বিমানবন্দর প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। একইভাবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও শিল্পপার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েও ষড়যন্ত্র চলছে। বগুড়া শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট। এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি করতোয়া নদী খননের মাধ্যমে নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনতে হবে। করতোয়া নদীর পূর্ব পাশে চার লেনের সড়ক নির্মাণ করা হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বগুড়ার দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনা দূর করতে বিমানবন্দর, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপার্ক ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

স্থানীয় অন্য সংসদ সদস্য  আবদুল মহিত তালুকদার বলেন, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে উদ্যোগ নিন। তিনি বলেন, বগুড়ার উন্নয়নের কথা বললে অনেকের গা জ্বলে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা কাটিয়ে উঠতে বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা এখন অনেক। এ অঞ্চলের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বগুড়ার সান্তাহার ইউনিয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। অথচ সেখানে এখনো কোনো হাসপাতাল নেই। ফলে স্থানীয় মানুষকে চিকিৎসাসেবা পেতে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সেখানে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সড়ক সংস্কার ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন। স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ও শিক্ষার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন,

অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবর রহমান, উপদেষ্টা, বিএনপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র, বগুড়া পৌরসভা
ফারুক ওয়াসিফ, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট
অধ্যাপক, ড. হোসনে-আরা বেগম, প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক টিএমএসএস
এম আর ইসলাম স্বাধীন, প্রশাসক, বগুড়া সিটি করপোরেশন
ড. আবদুল মজিদ প্রামাণিক, মহাপরিচালক, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া
ড. কুদরত-ই-জাহান, উপাচার্য, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শোকরানা, চেয়ারম্যান, হোটেল নাজ গার্ডেন
তৌফিক আলম টিপু, সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া ইয়ুথ কয়্যার
অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াদুদুল হক তরফদার নাহিদ, অধ্যক্ষ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া
রেজাউল হাসান রানু, সভাপতি, বগুড়া প্রেস ক্লাব
কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া প্রেস ক্লাব
মো. নাজমুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড
মো. তৌফিকুর রহমান, জেলা প্রশাসক, বগুড়া
মির্জা সায়েম মাহমুদ, পুলিশ সুপার, বগুড়া
মাসুদ করিম, যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
ডা. মতিউর রহমান, উপনির্বাহী পরিচালক, টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হাবিবুর রহমান মিল্টন, প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালক, টিএমএসএস
মোহন আকন্দ, সভাপতি, বগুড়া টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি
আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া ব্যুরো প্রধান, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা