এই তো কিছুদিন আগেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে অর্থনীতি ও জনজীবনে নেমে এসেছিল এক নীরব আতঙ্ক। বন্ধ হতে শুরু করেছিল শিল্প-কারখানার চাকা, থেমে যাচ্ছিল কৃষকের সেচ কার্যক্রম।
অন্ধকারের বিরুদ্ধে এই লড়াই ছিল সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কেননা বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল আর্থিক দায়, উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি এবং দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা ছিল এর প্রধান কারণ।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু! সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই এই খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেন তিনি।
কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পরই শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, যা জ্বালানি খাতে সরকারের চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।
মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র অস্থিরতার মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে নানা রকম পদক্ষেপ নেয় সরকার। একদিকে পুরনো আর্থিক বোঝা, অন্যদিকে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট। সংকটের উত্তাল সাগরে বিদ্যুৎ খাতের কাণ্ডারি হয়ে নানা উদ্যোগের সমন্বয় করছেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাবে দেশের মানুষের যে অসুবিধা হয়েছে তার জন্য সরকারের হয়ে দেশের মানুষের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা মেনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তার মন্ত্রণালয়।
বিদ্যুৎ খাতের এ দক্ষ নাবিক পুরো সংকট মোকাবেলায় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়, গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
সরকারের নির্ভরযোগ্য সহযোগী হিসেবে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কৌশলী পদক্ষেপের কারণে বিদ্যুৎখাতে যে সাময়িক সংকট শুরু হয়েছিল তা কেটে যেতে শুরু করেছে হয়তো খুব শিগ্গিরই জ্বালানি খাত হবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এমনটা আশা করছেন সবাই।