শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার কম

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭.০৫ পিএম

যমুনার কথা ডেস্ক:

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্যভিত্তিক ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশে থাকতে পারে। বিপরীতে, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভুটানের ঋণের অনুপাত অনেক বেশি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ এবং ভুটানের ১১৬ শতাংশ হতে পারে। নেপালের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ হিসাব অনুযায়ী, জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারতের অর্ধেকেরও কম।

পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায়ও বাংলাদেশের ঋণের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অন্যদিকে, মালদ্বীপ ও ভুটানের ক্ষেত্রে সরকারি ঋণ তাদের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের আকারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের এই ব্যবধান বাংলাদেশের তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক সরকারি ঋণ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উন্নয়ন ব্যয়ের চাপের মধ্যেও জিডিপির অনুপাতে ঋণের হার তুলনামূলক কম থাকা দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণের অনুপাত কম থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও অন্যান্য উন্নয়ন খাতে ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ সুবিধা কাজে লাগাতে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে টেকসই নীতি অনুসরণ, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশের এই তুলনামূলক অবস্থান ধরে রাখতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নতুন ঋণ থেকে পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল পাওয়া এবং ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উন্নয়ন চাহিদা পূরণের চাপে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা বজায় রাখার পাশাপাশি সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

 

 

 

এক ঘণ্টা পেছাচ্ছে ইউরোপের ঘড়ির কাঁটা

যমুনার কথা ডেস্ক:

ইউরোপের অধিকাংশ দেশে আগামী রবিবার (২৫ অক্টোবর) থেকে শীতকালীন সময় কার্যকর হচ্ছে। এদিন গ্রীষ্মকালীন সময়ের অবসান ঘটিয়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইউরোনিউজ।

পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এ পরিবর্তন কার্যকর হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয়। আর অক্টোবরের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে আবারও স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে যায় দেশগুলো।

পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন, পোর্তোসহ অন্যান্য শহরে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নেওয়া হবে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হবে। তবে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশেই গ্রীষ্মকালীন সময় শেষ হবে ২৫ অক্টোবর। এর মধ্যে রয়েছে পর্তুগাল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও গ্রিসসহ অন্যান্য সদস্য দেশ।

 

 

 

 

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা