শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের টহল পিকআপের পাশে যুবলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৪ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় জরিমানা ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ উঠে এলো একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা জামালপুরের পিংনায় অবৈধ বালুঘাটের ছড়াছড়ি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ নারী দিবসে সমাবেশ ও মেলা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দখল করা ঘরগুলো নিয়ন্ত্রনে নিল প্রশাসন চাঁদা না পেয়ে মারধর করায় ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত, ৬ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক নারিতায় বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত

সিরাজগঞ্জে যমুনায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬.৩৩ পিএম

মোঃ হোসেন আলী ছোট্ট :

 

সিরাজগঞ্জে মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ। পরে জব্দ করা প্রায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ অন্যান্য জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা ১০ কেজি মাছ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ সংরক্ষণে নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত এসব জাল জব্দ করা হয়। অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১৫টি চায়না দুয়ারি জাল এবং ১০ কেজি মাছ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। পরে অবৈধ জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়। জব্দ করা মাছগুলো নষ্ট না করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহমান খান এবং সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনসহ মৎস্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন নিশ্চিত করা এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সরকার নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে মা ইলিশ রক্ষা করা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

উল্লেখ্য, মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে জেলেদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ। একই সঙ্গে নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পোস্টটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট © ২০২৬ | যমুনার কথা